সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
শিশুর পুষ্টি, বৃদ্ধি ও বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ

নবজাতকের নাভীর ইনফেকশন

E-mail Print

নবজাতকের নাভী দিয়ে যদি সাদা দুর্গন্ধযুক্ত পুজের মতো কিছু আসে তখন ধরে নিতে হয় বাচ্চার নাভীতে ইনফেকশন বা Umbilical sepsis হয়েছে। এ অবস্থায় নাভীর চারপাশটা লালচে হয়ে যায় এবং নাভী দিয়ে ক্রমাগত ভাবে স্রাব আসতেই থাকে।

স্টেফাইলোকক্কাস নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমনে এমনটি হয়ে থাকে, নাভীর স্রাবের কালচার পরীক্ষা করে এটি নিশ্চিত হওয়া যায়।

বিস্তারিত...
 

স্পাইনা বাইফিডা (Spina Bifida)

E-mail Print

এই ভূপৃষ্ঠে ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশুদের বিশাল একটি অংশ নানাবিধ জন্মগত ত্রুটি (congenital malformation) নিয়ে জন্মায়। সেসবের মধ্যে সংখাধিক্যে সর্বাধিক ত্রুটিটির নাম স্পাইনা বাইফিডা (spina bifida)। বিশ্বে জন্ম নেয়া প্রতি ১০০০ শিশুর মাঝে ১ থেকে ২ টি শিশু এমন ত্রুটি নিয়ে জন্মাতে পারে।

জন্মগত এই ত্রুটিটি নিউরাল টিউব (neural tube) নামক একটি ভ্রুনাংগের ত্রুটির কারনে হয়। এতে জন্ম নেয়া শিশুটির কশেরুকা (vertebra) নামক হাড়টির পেছনের অংশটি জোড়া লাগা অসম্পূর্ণ থাকে এবং এর ফলে মেরুদন্ডের অভ্যন্তরিস্থ স্পাইনাল কর্ড (spinal cord) এবং এর থেকে বের হয়ে আসা নার্ভ (nerve) গুলো অরক্ষিত হয়ে পড়ে ।

বিস্তারিত...
 

টার্নার্স সিন্ড্রোম (Turner’s Syndrome)

E-mail Print

টার্নার্স সিন্ড্রোম মানব দেহের ক্রোমোজমের (chromosomal disorder) একটি রোগ। পৃথিবীর প্রতি ২৫০০ মহিলাদের মাঝে একজন এমন রোগে আক্রান্ত। বোঝাই যাচ্ছে ছেলেরা এ রোগে আক্রান্ত হয়না। আসলে এ রোগ নিয়ে জন্ম নেয়া মানুষটির একটি ক্রোমোজম (chromosome) কম থাকে। একজন সুস্থ্য স্বাভাবিক মানুষের যেমন ৪৬ টি ক্রোমোজম থাকে (মহিলাদের 44+XX আর পুরুষের 44+ XY) এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিটির সেখানে ক্রোমোজম থাকে ৪৫ টি (44+X)আর তাই একগাদা উপসর্গ নিয়ে জন্ম নেয়া শিশুটি একজন মেয়ে হিসেবেই বড় হতে থাকে।

উইলিয়াম টার্নার নামক একজন এন্ডোক্রাইনলজিস্ট (endocrinologist) বা হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ ১৯৩৮ সালে সর্বপ্রথম এই রোগটি বর্ননা করেন আর তার নাম অনুসারেই এ রোগের নাম করন করা হয়। যদিও মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায় ই এই রোগটি নির্নয় করা সম্ভব তবে অনেক ক্ষেত্রেই শিশুটির বয়সন্ধির আগে রোগটি ধরা পরেনা।

অভিভাবকের প্রথম অভিযোগ থাকে এই যে মেয়েটি তার বয়স অনুযায়ী লম্বা হচ্ছেনা (short stature)তবে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে খর্বাকৃতি ছাড়াও মেয়েটি শরীরে আরো উপসর্গ ধারন করে যেমন ঘাড় অনেক মোটা হওয়া (webbing of neck), কান গুলো অপেক্ষাকৃত নীচে থাকে (low set ears), পেছন দিকে মাথার তালু ছাড়িয়ে ঘাড় থেকেও চুল ওঠা (low cut hairline), হাত ও পা ফুলে যাওয়া (lymphoedema), আঙ্গুল ছোট হওয়া, মুখ মাছের মুখের (fish mouth) মত হওয়া ইত্যাদি। শিশুটির বুক অনেক চওড়া থাকে (shield chest) এবং স্তনবৃন্ত  গুলো একটা আরেকটা থেকে অনেক দূরে দূরে থাকে(widely spaced nipple)

এমন রোগে আক্রান্ত শিশুটির অনেক সময়ই বুদ্ধিশুদ্ধি ভালো থাকতে দেখা যায় তবে এদের অনেকেই আবার কম বুদ্ধি সম্পন্ন হয়। এদের গনিতে পারদর্শিতা অপেক্ষাকৃত কম থাক, কম থাকতে পারে শ্রবন ক্ষমতা এমন কি দৃষ্টি শক্তিও।

বিস্তারিত...
 

ডাউন সিনড্রম

E-mail Print

আমাদের চারপাশে অনেক শিশুকেই আমরা প্রতিবন্ধি হিসেবে জন্মাতে দেখি, এর অন্যতম প্রধান কারন হলো Down syndrome । ডাউন সিনড্রম সাধারণত বেশী বয়স্ক মায়েদের মাঝে বেশী দেখা যায়। যে সকল মায়ের প্রথম সন্তান গর্ভে আসার সময় তার বয়স ৩৫ বা তার উর্ধে থাকে তার সন্তানটির ডাউন সিনড্রম হবার সম্ভাবনা বেশী। এই ভাবে মায়ের বয়স বাড়ার সাথে সাথে সন্তানের ডাউন সিনড্রম হবার সম্ভাবনা বাড়তেই থাকে।

বিস্তারিত...
 

নবজাতকের ওজনহীনতা

E-mail Print

জন্মের সময় শিশুর ওজন যদি আড়াই কেজি (কিলোগ্রাম) এর কম হয় তাহলে ধরে নেয়া হয় শিশুটি এল,বি,ডাব্লিউ বা Low birth weight baby (LBW). এই ওজন যদি দেড় কেজিরও কম হয় তাহলে তাকে খুব কম ওজনের শিশু বা Very low birth weight (VLBW) এবং ৭৫০ গ্রামের কম ওজনের হলে চরম ওজনহীন শিশু Extreme low birth weight (ELBW) বলা হয়।

বিস্তারিত...
 

ক্লিনফেল্টার সিন্ড্রোম (Klinfelters Syndrome)

E-mail Print

ক্লিনফেল্টার সিন্ড্রোম, টার্নারস সিন্ড্রোম (Turner’s syndrome)এর মতোই একটি জেনেটিক রোগ (genetic disease) তবে এই রোগে কেবলমাত্র একটি ছেলেশিশুই আক্রান্ত হয়।  এই রোগীদের দেহকোষে স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে ক্রোমোজমের (chromosome) সংখ্যা একটি বেশী থাকে। সোজা কথায় একজন স্বাভাবিক মানুষের দেহকোষে ক্রোমোজম থাকে ৪৬ টি (মহিলাদের 44+XX আর পুরুষের 44+ XY) আর এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিটির ক্রোমোজমের সংখ্যা  ৪৭ টি (44+XXY)আর যেহেতু আক্রান্ত শিশুটির কোষে একটি Y ক্রোমজম থাকে সে জন্যই সে একজন ছেলের রূপ নিয়েই জন্মায়।

১৯৪২ সালে হেনরি ক্লিনফেল্টার সর্বপ্রথম এই রোগটি বর্ননা করেন আর তার নামানুসারেই এ রোগের নামকরণ করা হয়। ভুমিষ্ট হওয়া প্রতি ১০০০ ছেলে সন্তানের মাঝে একজনের এ রোগ নিয়ে জন্মাবার সম্ভাবনা থাকে।

একটি শিশু বয়ঃসন্ধি হবার আগ পর্যন্ত খুব সময়ই বোঝা যায় সে এমন রোগে ভুগছে কিনা। তবে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যায় ক্লিনফেল্টার সিন্ড্রোম এ আক্রান্ত শিশুটির মাংশ পেশীর গঠন থাকে অপেক্ষাকৃত স্বল্প ও দুর্বল প্রকৃতির। ।যার ফলে খুব অল্প বয়স থেকেই সে দুর্বলতায় ভোগে, বিশেষ করে যে কোন খেলাধুলায় তাকে সব সময়ই পিছিয়ে থাকতে দেখা যায়। এদের কিছু সংখ্যকের মেধা বা বুদ্ধি ও সামান্য কম থাকতে দেখা যায়।

বিস্তারিত...
 

বার্থ এসফেক্সিয়া (Birth asphyxia)

E-mail Print

নবজাতক জন্মের সাথে সাথেই যদি নিজে নিজে নিঃশ্বাস নিতে ব্যর্থ হয় তাকে বার্থ এসফেকশিয়া বা এসফেকশিয়া নিউনেটারাম বলে। সাধারণত এ ধরনের শিশুদের জন্মের ৫ মিনিট পর আপগার স্কোর ৬ এর নীচে থাকে, যদি তা ৩(তিন) এর নীচে নেমে যায় তাহলে ধরে নিতে হবে শিশুটির অবস্থা বেশ জটিল।

বিস্তারিত...
 
  • «
  •  Start 
  •  Prev 
  •  1 
  •  2 
  •  3 
  •  Next 
  •  End 
  • »


Page 1 of 3

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়