সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা বা ডায়াগনোসিস

ম্যামোগ্রাফি (Mamography)

E-mail Print

ম্যামোগ্রাফি হলো স্তনের বিশেষ ধরনের এক্সরে পরীক্ষা। সাধারন এক্সরে পরীক্ষার চেয়ে এতে তেজস্ক্রিয়তা (Radiation) এর মাত্রা অনেক কম। এ পরীক্ষায় স্তনটিকে আল্ট্রাসেনসিটিভ এক্সরে মেশিনের গায়ে লাগিয়ে কম ভোল্টেজ এবং বেশী এম্পিয়ারেজ মাত্রার এক্সরে স্তনের ভিতর দিয়ে পাঠানো হয়। এতে রেডিয়েশন এর মাত্রা থাকে ০.১ সিগাই এর মতো যা অপেক্ষাকৃত নিরাপদ।

বিস্তারিত...
 

ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম - ই.সি.জি.

E-mail Print

ই.সি.জি. বা ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম হলো এমন একটি পরীক্ষা যার দ্বারা হৃদপিন্ডের বিদ্যুৎ পরিবহন বা পরিচলন পদ্ধতিকে গ্রাফের (Graph) এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। হৃদপিন্ড বা হার্ট এমন একটি অঙ্গ যা নিজে নিজেই চলতে পারে, বাইরে থেকে এর পরিচালনার জন্য কোনো স্নায়ু (Nerve)এর উদ্দীপনার প্রয়োজন নাই। হার্ট কে সবসময় স্পন্দিত রাখার জন্য এর ভেতরে একটি নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে, যাকে বলা হয় পেস মেকার (Pacemaker)

বিস্তারিত...
 

সিটি এনজিওগ্রাম

E-mail Print

এনজিওগ্রাম করে আমরা সহজেই শরীরের রক্তনালীর অবস্থা বুঝতে পারি। এর একটা অসুবিধা হলো এজন্য রোগীর বড় একটি ধমনীতে ফুটো করে তাতে একটা ক্যাথেটার হার্ট পর্যন্ত ঢুকিয়ে দেয়া হয়। এতে কিছু ঝুকিতো থাকেই এছাড়া এ পরীক্ষাটি অনেক রোগীর মনে ভীতিরও সঞ্চার করে থাকে। এই ঝুকি ও ভীতি থেকে মুক্তির জন্য সিটি স্ক্যান করেও রক্তনালীর অবস্থা জানার একটি পরীক্ষা আবিস্কৃত হয়েছে, এর নাম করোনারি সিটি এনজিওগ্রাম।

বিস্তারিত...
 

এনজিওগ্রাম (Angiogram)

E-mail Print

এনজিওগ্রাম এমন একটি পরীক্ষা যার মাধ্যমে শরীরের ধমনী ও শিরা গুলোকে পরোক্ষ ভাবে দেখা যায়। পরোক্ষ ভাবে বলা হচ্ছে এই কারনে যে ধমনী ও শিরা প্রত্যক্ষ ভাবে দেখবার ও সুযোগ রয়েছে। প্রচলিত অর্থে আমরা Angiogram বলতে যা বুঝি তা হলো এক্সরের মাধ্যমে শরীরের ধমনী গুলোকে দেখা। রোগ নির্ণয়ে সচরাচর এনজিওগ্রাম করে শিরা দেখা হয়না, হলে সেটাকে বলে ভেনোগ্রাম (Venogram)।

বিস্তারিত...
 

ভিডাল রক্ত পরীক্ষা (Widal Test)

E-mail Print

ভিডাল পরীক্ষা রক্তরস বা রক্তের একটি পরীক্ষা। রোগীর তীব্র জ্বর যখন ৪/৫ দিনের বেশী স্থায়ী হয় তখন রোগের কারন নির্নয়ে এই পরীক্ষাটি করা হয়। এই পরীক্ষাটির ফলাফল থেকে জানা যায় রোগীর টাইফয়েড জ্বর হয়েছে কিনা। টাইফয়েড জ্বর হবার ৫-৭ দিন পরে এই টেষ্ট টি সঠিক ফলাফল দিতে খুবই কার্যকর। খুব আগে করিয়ে ফেললে বা খুব দেরীতে করালে অনেক সময় এর ফলাফল থেকে তেমন ভাবে রোগ সম্বন্ধে ধারণা পাওয়া যায়না।

বিস্তারিত...
 
  • «
  •  Start 
  •  Prev 
  •  1 
  •  2 
  •  Next 
  •  End 
  • »


Page 1 of 2

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়