সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
চোখের বিভিন্ন সমস্যা, কারন ও চিকিৎসা

চোখ ওঠা বা কনজাঙ্কটিভাইটিস

E-mail Print

চোখের গোলকের সাদা অংশ এবং চোখের পাতার ভিতরের অংশ পাতলা একটি স্বচ্ছ পর্দা দিয়ে ঘেরা থাকে যার নাম কনজাঙ্কটিভা (Conjunctiva) আর এর প্রদাহ বা inflammation ই হলো চোখ ওঠা বা কনজাঙ্কটিভাইটিস। আমাদের সমাজে এটি খুবই একটি পরিচিত রোগ যার বহুবিধ চিকিতসা পদ্ধতি অল্পবিস্তর সবাই জানেন।

বিস্তারিত...
 

চোখে ছানি পরা

E-mail Print

ক্যামেরার লেন্সের (Lens) মতো আমাদের চোখের ভেতরেও একটি লেন্স রয়েছে যাকে সংকোচিত ও প্রসারিত করার মাধ্যমে আমরা যথাক্রমে দুরের ও কাছের জিনিসকে স্পষ্ট দেখতে পাই। এই লেন্সটি অস্বচ্ছ হয়ে গেলে আমরা চোখে ঝাপসা দেখি এমনকি কোনো কোনো সময় কিছুই দেখতে পাইনা। লেন্সের এই ঝাপসা হয়ে যাওয়া রোগটির নামই ছানি পড়া বা ক্যাটারাক্ট (Cararact)।

বিস্তারিত...
 

দুরদৃষ্টির সমস্যা

E-mail Print

আমাদের চোখের ভেতরে ক্যামেরার মতো যে লেন্স (Lens) আছে তা অনেক সময় ঠিকমতো সংকোচিত হতে না পারলে আমরা দুরের অনেক জিনিস্পষ্ট দেখতে পাইনা। এই রোগটির নাম মায়োপিয়া বা দুরদৃষ্টি। এই রোগে কাছের কোনো জিনিদেখতে কোন অসুবিধা হয়না। সাধারণত মাথা ব্যথা বা এই জাতীয় সমস্যা নিয়ে রোগীকে এই রোগে অভিযোগ করতে শোন যায়না।

বিস্তারিত...
 

নিকটদৃষ্টির সমস্যা

E-mail Print

আমাদের চোখের ভেতরে ক্যামেরার মতো যে লেন্স (Lens) আছে তা অনেক সময় ঠিকমতো প্রসারিত হতে না পারলে আমদের কাছের জিনিদেখতে অনেক সময় কষ্ট হয়। এই রোগটির নাম হাইপারমেট্রোপিয়া বা হ্রস্বদৃষ্টি। এই রোগে দূরের কোনো জিনিদেখতে কোন অসুবিধা হয়না।

বিস্তারিত...
 

চোখে কোনো কিছু পড়া

E-mail Print

কোনো কিছু চোখের দিকে এগিয়ে আসার সময় চোখের পাতা খুব দ্রুত বন্ধ হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও আমাদের চোখে অনেক ধরনের ছোটোখাটো পদার্থ প্রবেশ করতে পারে। মূলত ধুলোকনা, কীট পতঙ্গ, ছোট ইট পাথর বা কাঠের টুকরা থেকে শুরু করে সুই, বাশ, ছোটো খেলার বল নানা কিছু আছে এই তালিকায়। এসব কে এক কথায় ফরেন বডি (Foreign body) বলা হয়।

বিস্তারিত...
 



সম্পর্কিত আরও লেখা

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়