সুস্বাস্থ্য.কম

সুস্থ্য দেহ ও সতেজ মনের জন্য...

  • Increase font size
  • Default font size
  • Decrease font size
হৃদপিন্ড বা হার্টের রোগ-ব্যধি, চিকিৎসা ও পরামর্শ

হৃদরোগ সংক্রান্ত কিছু সাধারণ উপদেশ

E-mail Print

হৃদরোগ সংক্রান্ত কিছু সাধারণ উপদেশ নীচে দেওয়া হল -

· সকল প্রকার তামাক এবং তামাকজাত দ্রব্য গ্রহন থেকে বিরত থাকুন।

· অতিরিক্ত তেল অথবা চর্বি যুক্ত খাবার গ্রহন থেকে বিরত থাকুন,স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহন করুন।

· আপনার খাদ্য তালিকায় তাজা শাকসব্জি এবং ফল অন্তর্ভুক্ত করুন।

· তরকারিতে পরিমিত লবন খান, খাবারে বাড়তি লবন মিশিয়ে খাওয়া বন্ধ করুন।

· চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার যত সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

· ঘাম ঝরানো শারীরিক পরিশ্রম করুন, হাটার সময় দ্রুত হাটুন। সব সময় লিফট ব্যবহার না করে যতদুর সম্ভব সিড়ি বেয়ে উঠার অভ্যাস করুন।

বিস্তারিত...
 

ইশকেমিক (Ischaemic) হার্ট ডিজিজ

E-mail Print

হার্ট ব্লক হয়েছে বললেই আমাদের মনে যে রোগটির ছবি ফুটে উঠে তা হলো আসলে ইশকেমিক ডিজিজ। হার্ট ব্লক নামক প্রচলিত শব্দটি কিন্ত এই রোগের ক্ষেত্রে ভুল নামকরণের শিকার, কারণ হার্ট ব্লক নামে সত্যিই একটি হৃদ রোগ আছে যার সাথে এই রোগের মিল খুব সামান্যই। তবে হার্ট এর ধমণী তে ব্লক (করোনারি আরটারী স্টেনোসিস) হয়েছে বললে সেটা কিন্ত এই রোগটিকেই বোঝায়। তাই পাঠক এই ক্ষেত্রে একটু যত্নবান হবেন বলে আশা রাখবো। মেডিকেল পরিভাষায় একে করোনারি আর্টারি ডিজিজ বলা হয়।

বিস্তারিত...
 

জন্মগত হৃদরোগ

E-mail Print

জন্মের সময়ই অনেক শিশু হৃদপিন্ডের সমস্যা নিয়ে জন্মায়, সহজ ভাবে বোঝানোর জন্য চিকিৎসকগণ অনেক সময় একে শিশুর হার্ট এ ফুটা/ছিদ্র আছে এমন শব্দ ব্যবহার করেন। এধরণের রোগ হলে শিশু জন্মের কিছুদিন পর থেকেই শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যায় ভোগে এবং কেউ কেউ খাবার সময় বা কান্না করলে নীল/কালচে-নীল হয়ে যায়। এরকম কয়েকটি রোগ এখানে আলোচনা করা হল।

এ,এস,ডি

একে এট্রিয়াল সেপ্টাল ডিফেক্ট বলা হয়। হার্ট এর উপরের অংশের দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝে একটি অস্বাভাবিক ফুটো থাকার নামই এ,এস,ডি। এধরণের রোগ হলে শিশু জন্মের কিছুদিন পর থেকেই শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যায় ভুগে এবং শিশুর বৃদ্ধি ও নিয়মিত হয়না। এ,এস,ডি ছোটো হলে ২-৫ বছরের মধ্যে নিজে নিজেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

বিস্তারিত...
 

ভাল্ভের রোগ (Valvular Disease)

E-mail Print

হৃদপিন্ডের ভাল্ভ এর কাজ অনেকটা দরজার মতো, এরা কেবল এক দিকে খোলে এবং এভাবে হৃদপিন্ডের ভেতরে রক্ত কেবল এক দিকে প্রবাহিত হয়। ভাল্ভের রোগ হলে এই একমুখি রক্ত প্রহাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। হার্টে মোট ৪ টি ভাল্ভ রয়েছে। এর মধ্যে মাইট্রাল ও এওরটিক ভাল্ভ দুটিই বেশী রোগাক্রান্ত হয় এবং তখন সমস্যাগুলো ও প্রকট হয়। সেই তুলনায় ট্রাইকাসপিড বা পালমোনারি ভাল্ভ রোগাক্রান্ত হবার সুযোগ অপেক্ষাকৃত অনেক কম এদের প্রকটতা ও কম।

বিস্তারিত...
 

উচ্চ রক্তচাপ জনিত রোগ (হাইপারটেনশন)

E-mail Print

ব্লাড প্রেসার (Blood pressure) নামে অতিপরিচিত রোগটিই আসলে হাইপারটেনশন। হাইপারটেনশন রোগটি সকলের না থাকলেও সুস্থ্য অসুস্থ প্রতিটি মানুষেরই ব্লাড প্রেসার থাকে, আসলে হৃদপিন্ড রক্তকে ধাক্কা দিয়ে ধমনীতে পাঠালে ধমণীর গায়ে যে প্রেসার বা চাপ সৃষ্টি হয় তাই হলো ব্লাড প্রেসার। এই চাপ এর একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে আর যখন তা স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তখনি তাকে বলা হয় হাইপারটেনশন (Hypertension) বা উচ্চ রক্তচাপ।

বিস্তারিত...
 

উচ্চ রক্তচাপ/ হাইপারটেনশন এর রোগীদের জন্য পরামর্শ

E-mail Print

১. উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রনে রাখুন।

২. পরামর্শ পত্রে প্রদত্ত অসুধ নিয়মিত সেবন করুন।

৩. প্রতিদিন হাটুন অথবা ব্যায়াম করুন, ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখুন।

৪. ধুমপান, জর্দা, তামাক পাতা, গুল পরিহার করুন।

৫. দুঃশ্চিন্তা মুক্ত থাকুন।

৬. ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগ থাকলে তার চিকিৎসা করুন ও নিয়ন্ত্রনে রাখুন।

বিস্তারিত...
 

হার্ট ফেইলুর (Heart Failure)

E-mail Print

এটা হৃদপিন্ডের এমন একটা অবস্থা যখন সে আর শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত পাম্প করতে পারেনা। যেহেতু এটা হওয়ার পেছনে বহু কারন আছে, হার্ট ফেইলুরকে তাই বিভিন্ন ভাবে শ্রেনী বিন্যাস করা যায়। সাধারণত কোনো কারনে যদি শরীরে পানির পরিমান বেড়ে যায় অথবা হার্ট এর উপর প্রেসার বেড়ে যায় অথবা হার্ট এর মাংস পেশী কোনো কারনে ঠিকমতো কাজ না করে তাহলেই হার্ট পাম্প করতে ব্যর্থ হয় বা ফেইলুর হয়।

বিস্তারিত...
 
  • «
  •  Start 
  •  Prev 
  •  1 
  •  2 
  •  3 
  •  Next 
  •  End 
  • »


Page 1 of 3

সম্পর্কিত আরও লেখা

সুস্বাস্থ্য সুপারিশ করুন

এই সাইটের সকল তথ্য শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকাশিত যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়